• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
  • Bangla Converter
সংবাদ শিরোনাম
সোনারগাঁয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে এস এম ওয়ালিউর রহমান আপেলের মতবিনিময় অসুস্থ বিএনপি নেতা খন্দকার মনিরুলের পাশে সাদরিল, বাসায় গিয়ে নিলেন খোঁজখবর সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব নারায়ণগঞ্জ সদর থানা মহিলা দলের ‘সুপার ফাইভ’ কমিটি ঘোষণা, আহ্বায়ক লিপি খন্দকার শিক্ষায় বিনিয়োগ ব্যয় নয়, ভবিষ্যতের ভিত্তি: হাবিবুর রশিদ হাবিব খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হওয়ায় আবুল কালামকে সোহাগের অভিনন্দন নরসিংদী জেলা পুলিশ সুপারে কর্মরত এসপি আব্দুল আজিজের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক হাজী মোঃ মাহাবুব রহমান জামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাকির হোসেন বাবুর গণসংযোগ নারায়ণগঞ্জে এনসিপির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন ফ্লাওয়ার মিল মালিকদের সংগঠনের বাণিজ্যিক সংগঠন হিসেবে সরকারি লাইসেন্স নিলেন সোহাগ

পল্লবকে যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে চায় ফতুল্লার তৃণমূল

কালান্তর ডেস্ক / ১১৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা বিএনপির রাজনীতিতে এক পরিচিত ও ত্যাগী নাম কায়েস আহম্মেদ পল্লব। স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরের শাসনামলে একের পর এক মামলা-হামলা-নির্যাতন সয়েও দলের পতাকা হাতে রাজপথে অটল ছিলেন তিনি। দলের দুঃসময়ে রাজপথ কাঁপানো এই নেতাকে এবার দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চান ফতুল্লার নেতাকর্মীরা।

কায়েস আহম্মেদ পল্লবের রাজনীতির হাতেখড়ি ছাত্রদলের মাধ্যমে। তিনি একসময় নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকায় অল্প সময়েই নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেন।

বর্তমানে তিনি ফতুল্লা থানা বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই পদ থেকে তিনি এলাকায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন।

২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি চাপের মধ্যে ছিলেন। ওই সময়ে কায়েস আহম্মেদ পল্লবের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। একাধিকবার হামলার শিকার হয়েও তিনি দলের কর্মসূচি থেকে সরে যাননি।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলেন, “পুলিশি গ্রেফতার, রাতভর হানা, বাড়ি ভাঙচুর—সবকিছু মোকাবেলা করেও পল্লব ভাই আমাদের পাশে থেকেছেন। ৫ আগস্টের পরেও তিনি রাজপথে প্রথম কাতারে ছিলেন।”

দলের এই দুঃসময়ের যোদ্ধাকে মূল্যায়নের দাবি এখন জোরালো হচ্ছে। ফতুল্লা থানা যুবদলের একাধিক ওয়ার্ড নেতার মতে, যারা ত্যাগ ও তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে দলকে টিকিয়ে রেখেছেন, তাদেরকেই এখন সামনে আনা উচিত।

একজন সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “পল্লবের মতো পরিশ্রমী ও জনপ্রিয় নেতাকে যদি দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে তৃণমূল আরও চাঙ্গা হবে। তরুণরাও রাজনীতিতে অনুপ্রেরণা পাবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ৫ আগস্টের পর বিএনপির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ত্যাগী নেতাদের সঠিক মূল্যায়ন। ফতুল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ থানায় কায়েস আহম্মেদ পল্লবের মতো মাঠের নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হলে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত হবে।

দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে নিজেকে প্রমাণ করা কায়েস আহম্মেদ পল্লব এখন ফতুল্লা থানা যুবদল নেতাকর্মীদের চোখের মণি। নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, দলের হাইকমান্ড ত্যাগী এই নেতার অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে তাকে উপযুক্ত পদে আসীন করবেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..