বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন সংগঠনের জন্য কাজ করা বেশ কয়েকজন সাবেক কেন্দ্রীয় নেতারা পদবঞ্চিত হয়ে এবার নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক নেতা এবং নবগঠিত কমিটিতে পদবঞ্চিত নেতাদের উদ্যোগে একটি শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য মাঠে কাজ করা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে অবদান রাখা অনেক ত্যাগী নেতা এবার নবগঠিত কমিটিতে স্থান পাননি। যুবদল সবসময় গণতন্ত্র, অধিকার ও জনগণের পক্ষে আন্দোলন-সংগ্রামের সংগঠন হিসেবে পরিচিত। সেই সংগঠনের শক্তি আরও বৃদ্ধি করতে ত্যাগী, পরীক্ষিত ও মাঠপর্যায়ের নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান পদবঞ্চিতরা ।
পুরো কর্মসূচি জুড়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিল শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে তারা তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। কর্মসূচি শেষে দলীয় ঐক্য, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে এই কর্মসূচি যুবদলের অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা এবং তৃণমূলের প্রত্যাশার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। এখন দেখার বিষয়, পদবঞ্চিত নেতাদের এই শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচির বিষয়ে দলীয় নেতৃত্ব কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদ্য সাবেক যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. দুলাল হোসেন, সাবেক প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, সাবেক গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক রিয়ন তালুকদার, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম ফারুক, খালেদ মাহমুদ মাসুদ, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, হুমায়ূন কবির, জাকির খান, সাজ্জাদ হোসেন উজ্জ্বল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার জাহিদ, মেজবাউল ইসলাম, মোহাম্মদ আরিফসহ কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন পর্যায়ের অসংখ্য নেতা-কর্মী।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...